লেখাটি শুনুন
১ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া
এক নজরে
- কাদের জন্য
- ১০–১৫ বছর বয়সী সন্তানের বাবা-মা
- মূল কথা
- চ্যাট নিয়ে সন্দেহ নয়, আগ্রহ দেখান।
- কিছু খারাপ লাগলে কী করবে, তা একসাথে ঠিক করুন।
- দরজা খোলা রাখুন, যাতে সে আগে আপনার কাছেই আসে।
ক্লাসের গ্রুপ, কাজিনদের গ্রুপ, ক্রিকেটের গ্রুপ: অনেক শিশুর কাছে স্কুলের পরে বন্ধুত্ব চলে ফোনেই। সেখানে কী কথা হয় তা জানতে চাওয়া স্বাভাবিক, আর সন্তানের কিছু কথা নিজের কাছে রাখতে চাওয়াও স্বাভাবিক।
সন্দেহ নয়, আগ্রহ
“গ্রুপে কারা আছে? আজ কী মজার হলো?” — এই প্রশ্ন “ফোনটা দেখাও”-এর চেয়ে একেবারে অন্যরকম আলাপ শুরু করে। অনেক পরিবার দেখে, প্রশ্নগুলো তল্লাশির মতো না শুনিয়ে আগ্রহের মতো শোনালে সন্তান বেশি কথা বলে।
- শুধু মেসেজ নয়, মানুষগুলোর কথাও জিজ্ঞেস করুন।
- সে যে মজার অংশ দেখায়, তাতে একসাথে হাসুন।
- নিজের গ্রুপের কোনো কথাও বলুন।
লক্ষ্য হলো, সে যেন আগে আপনার কাছেই আসে।
কিছু খারাপ লাগলে
খারাপ মেসেজ, গ্রুপ থেকে বাদ পড়া, বা অচেনা কেউ ছবি চাওয়া — এসব কথা তোলা কঠিন। শান্ত কোনো দিনে ঠিক করে রাখলে সুবিধা হয়, সন্তান কী করবে: চ্যাট থেকে বেরিয়ে যাবে, স্ক্রিনশট রাখবে, আর আপনাকে জানাবে — এর ফলে যে ফোন কেড়ে নেওয়া হবে না, সেটাও বলে রাখুন।
হয়রানি বা কারও নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হলে স্কুলের সাথে কথা বলুন, আর জরুরি অবস্থায় স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।






