লেখাটি শুনুন
১ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া
এক নজরে
- কাদের জন্য
- স্কুলপড়ুয়া শিশু ও কিশোর-কিশোরীর বাবা-মা
- মূল কথা
- ঘুমের নির্দেশনা বয়স অনুযায়ী একটি পরিসর দেয়, একটি সংখ্যা নয়।
- স্কুলে ওঠার সময় থেকে পিছনে হিসাব করুন।
- সন্তানকে তার নিজের রাতগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখুন।
সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে ঘুমের প্রয়োজন বদলায়। বহুল ব্যবহৃত ঘুমের নির্দেশনা একটি সংখ্যা না দিয়ে একটি পরিসর দেয়, কারণ প্রতিটি শিশু আলাদা।
| বয়স | ঘুমের ঘণ্টা | ৬:৩০-এ উঠতে হলে ঘুম |
|---|---|---|
| ৬–১২ বছর | ৯–১২ ঘণ্টা | রাত ৬:৩০–৯:৩০ |
| ১৩–১৮ বছর | ৮–১০ ঘণ্টা | রাত ৮:৩০–১০:৩০ |
ঘুম থেকে ওঠার সময় থেকে পিছনে হিসাব করুন
সকালটা স্কুলই ঠিক করে দেয়, তাই সুযোগ থাকে সন্ধ্যায়। আপনার ১৩ বছরের সন্তান যদি স্কুলের জন্য ৬:৩০-এ ওঠে, তাহলে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা মানে আগের রাতে মোটামুটি ৮:৩০ থেকে ১০:৩০-এর মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া।
আমরা সন্তানকে তার নিজের সাথেই তুলনা করি, ইন্টারনেটের গড়ের সাথে নয়।
আপনার সন্তানকে যদি বেশিরভাগ দিন খুব ক্লান্ত মনে হয়, জোরে নাক ডাকে, বা অন্য কোনো কারণে তার ঘুম নিয়ে আপনি চিন্তিত হন, একজন ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।




