লেখাটি শুনুন
১ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া
এক নজরে
- কাদের জন্য
- যে বাবা-মা একসাথে সন্তান বড় করছেন
- মূল কথা
- পরিকল্পনা নিয়ে সন্তানের অনুপস্থিতিতে কথা বলুন।
- সবকিছু নয়, এক-দুটি বিষয়ে একমত হন।
- দাদা-দাদি, নানা-নানি আর অন্য যত্নকারীরাও এতে থাকতে পারেন।
দুজন স্নেহময় বাবা-মাও ভিন্নভাবে ভাবতে পারেন — স্ক্রিন, ঘুমের সময়, বা কতটা কড়া হবেন তা নিয়ে। এটা স্বাভাবিক। শিশুদের জন্য প্রায়ই কঠিন হয় পার্থক্যটা নয়, বরং ঝগড়ার মাঝখানে তা টের পাওয়া।
সপ্তাহে একবার আলাপ
- সপ্তাহে একবার দশ মিনিট, সন্তানেরা ঘুমিয়ে পড়ার পরে।
- এই সপ্তাহে কী ভালো গেল? কী কঠিন ছিল?
- পরের সপ্তাহে একইভাবে চেষ্টা করার মতো একটা বিষয়ে একমত হন।
সবকিছুতে নয়, একটা বিষয়ে একমত হন।
মুহূর্তের মধ্যে
সন্তানের সামনে মতের অমিল হলে, “আমি তোমার বাবার সাথে কথা বলে রাতে তোমাকে জানাব” — এতে কারও পক্ষ না নিয়েই সময় পাওয়া যায়। এতে শিশুরা দেখে, বড়রাও শান্তভাবে বিষয় মিটিয়ে নিতে পারে।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

