মূল কনটেন্টে যান

পরীক্ষার ফল আশানুরূপ না হলে

কম নম্বর পুরো পরিবারকেই কষ্ট দিতে পারে। কীভাবে এমনভাবে কথা বলবেন যাতে সন্তান কথা বলা — আর চেষ্টা করা — চালিয়ে যায়।

ParentMind টিমের লেখা৪ মিনিটের পড়া

লেখাটি শুনুন

১ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া

এক নজরে

কাদের জন্য
১০–১৮ বছর বয়সী সন্তানের বাবা-মা
মূল কথা
  • আগে শুনুন; পরিকল্পনা একদিন অপেক্ষা করতে পারে।
  • ফলাফল আর সন্তানকে আলাদা করে দেখুন।
  • পরের বার চেষ্টা করার মতো একটি জিনিস খুঁজুন।

ফল আশার চেয়ে কম হলে বাবা-মা আর সন্তান দুজনেরই খারাপ লাগে। শিশুরা প্রায়ই আগেই জানে, আর আলাপটাকে ভয় পায়। প্রথম কয়েক মিনিট কেমন যায়, তার ওপর নির্ভর করতে পারে পরের ফলটা সে নিজে থেকে ঘরে আনবে কি না।

আগে শুনুন

  • “কী হয়েছে?”-এর আগে “তোমার কেমন লাগছে?”
  • শেষ করতে দিন, অজুহাত বেশি হলেও।
  • ভাইবোন বা কাজিনদের সাথে তুলনা বাদ রাখুন।

নম্বর একটা পরীক্ষার কথা বলে, আপনার সন্তান কে — তা নয়।

ছোট ছোট নিয়মিত অনুশীলন

পরের বারের জন্য একটি জিনিস

পরদিন, মন শান্ত হলে, একসাথে খাতাটা দেখুন। সময় কম পড়েছিল, একটা বিষয় কঠিন ছিল, নাকি ভয় লেগেছিল? চেষ্টা করার মতো একটা ছোট জিনিস বেছে নিন — সপ্তাহে একটা অনুশীলনের প্রশ্নপত্র, এক সপ্তাহ আগে রিভিশন শুরু — আর দেখুন কেমন হয়।

এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

নিজের সন্তানের সাথে চেষ্টা করে দেখুন

ParentMind প্রতিদিনের একটি ছোট নোট রাখে আর দেখায় — আপনার সন্তানের নিজের সংখ্যায় — একটি পরিবর্তন কাজে লাগছে কি না।

বিনামূল্যে নাম লিখুন। ক্রেডিট কার্ড লাগবে না। আপনার তথ্য গোপন থাকবে।