মূল কনটেন্টে যান

পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন

ছোট করে উত্তর

পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন, তার উত্তর: মিস হওয়ার দিন থেকেই করা যায়, আর এক সপ্তাহ পরে ফল আরও নির্ভরযোগ্য। সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করুন। পিরিয়ড কবে আসার কথা জানা না থাকলে সাধারণ পরামর্শ হলো সহবাসের মোটামুটি তিন সপ্তাহ পর টেস্ট করা। নেগেটিভ এলে আর পিরিয়ড না এলে এক সপ্তাহ পর আবার করুন।

ParentMind টিমের লেখা১০ মিনিটের পড়া

লেখাটি শুনুন

১২ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া

এক নজরে

কাদের জন্য
যাঁরা হয়তো গর্ভবতী, আর যে দম্পতিরা বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করছেন
মূল কথা
  • পিরিয়ড মিস হওয়ার দিন থেকেই বাড়িতে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কাজ করে, আর এক সপ্তাহ পরে আরও নির্ভরযোগ্য।
  • সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করুন, কিটের নির্দেশনা মেনে চলুন, আর যত মিনিটে ফল দেখতে বলা আছে তখনই দেখুন, কয়েক ঘণ্টা পরে নয়।
  • সময়মতো দেখা হালকা দাগ সাধারণত পজিটিভ বোঝায়; নেগেটিভ এলে আর পিরিয়ড না এলে এক সপ্তাহ পর আবার টেস্ট করুন।
  • টেস্ট পজিটিভ হলে প্রথম চেকআপের সময় নিন; অল্প হলেও রক্ত গেলে বা তীব্র বা এক পাশে পেটব্যথা হলে এখনই হাসপাতালে যান।

পিরিয়ড দেরি হলে প্রথম প্রশ্নই হয়: পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করব? আর অপেক্ষাটা অনেক লম্বা মনে হয়। খুব আগে টেস্ট করা বিভ্রান্তিকর ফলের একটা সাধারণ কারণ, তাই একটু ধৈর্য ধরলে প্রায়ই দুশ্চিন্তা আর টাকা দুটোই বাঁচে।

নিচে পাবেন: কোন দিন টেস্ট করবেন, ধাপে ধাপে বাড়িতে টেস্টের নিয়ম, হালকা দাগ বা নেগেটিভ ফলের মানে, পজিটিভ হলে প্রথমে কী করবেন, আর যে জরুরি লক্ষণগুলোতে কোনো টেস্টের জন্য অপেক্ষা করা যায় না।

জরুরি লক্ষণ: টেস্টের জন্য অপেক্ষা করবেন না

  • যোনিপথে অনেক রক্ত যাওয়া, অথবা রক্তের সাথে ব্যথা, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান ভাব: ৯৯৯-এ কল করুন আর এখনই হাসপাতালে যান।
  • তীব্র বা না-কমা পেটব্যথা; প্রথম দিকে পেটের এক পাশে ব্যথা বা কাঁধের ডগায় ব্যথা: এখনই হাসপাতালে যান; অজ্ঞান হয়ে গেলে ৯৯৯-এ কল করুন।
  • শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: ৯৯৯-এ কল করুন।
  • পজিটিভ টেস্টের পর অল্প রক্ত বা দাগ দেখা গেলেও: এখনই হাসপাতালে যান।

পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন?

বাড়িতে করা প্রেগন্যান্সি টেস্ট প্রস্রাবে গর্ভাবস্থার একটা হরমোন খোঁজে। ভ্রূণ জরায়ুতে বসার পর শরীর এই হরমোন তৈরি করতে শুরু করে, আর দিনে দিনে এর পরিমাণ বাড়ে। প্রথম কয়েক দিনে এটা এত কম থাকতে পারে যে টেস্টে ধরা পড়ে না; তাই গর্ভবতী হলেও খুব আগে করা টেস্ট নেগেটিভ আসতে পারে।

তাই সহজ নিয়ম হলো: পিরিয়ড মিস হওয়ার দিন থেকে টেস্ট করুন, আর নেগেটিভ এলে এক সপ্তাহ পর আবার করুন, তখন ফল আরও নির্ভরযোগ্য। কিছু কিটে লেখা থাকে কয়েক দিন আগেও কাজ করে; করতে পারে, তবে পিরিয়ড আসার আগেই নেগেটিভ এলে তার তেমন মানে নেই। স্তনে ব্যথার মতো লক্ষণ দিয়েও আগে বোঝা যায় না: দেখুন গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কখন করবেন: এক নজরে
আপনার অবস্থাকখন টেস্ট করবেনজেনে রাখুন
পিরিয়ড নিয়মিত, আর এবার দেরি হচ্ছেযেদিন আসার কথা ছিল, সেদিন থেকেনেগেটিভ এলে এক সপ্তাহ পর আবার করুন
পিরিয়ড আসার আগেই টেস্ট করতে চানকরা যায়, তবে খুব আগে হতে পারেএখন নেগেটিভ এলে নির্ভরযোগ্য নয়; পিরিয়ড দেরি হলে আবার করুন
পিরিয়ড অনিয়মিত, বা কবে আসার কথা জানেন নাসহবাসের মোটামুটি তিন সপ্তাহ পরনেগেটিভ এলে আর পিরিয়ড না এলে এক সপ্তাহ পর আবার করুন
দুবার নেগেটিভ, তবু পিরিয়ড আসেনিবারবার টেস্টের দরকার নেইকারণ জানতে ডাক্তার দেখান
পজিটিভএকবারই যথেষ্ট; দাগ খুব হালকা হলে কয়েক দিন পর আবার করুনপ্রথম চেকআপের সময় নিন

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার নিয়ম: ধাপে ধাপে

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফার্মেসিতে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়: সাধারণ স্ট্রিপ, ছোট ক্যাসেট, বা প্রস্রাবের ধারায় ধরার স্টিক। পিরিয়ড মিস হওয়ার পর ঠিকমতো ব্যবহার করলে সাধারণ প্রেগন্যান্সি স্ট্রিপ টেস্ট প্রায়ই দামি কিটের মতোই কাজ করে।

  1. দেখে নিন প্যাকেট সিল করা আছে আর মেয়াদ পার হয়নি।
  2. আগে নির্দেশনার কাগজটা পড়ুন: প্রতিটি কিটের নিয়ম আর ফল দেখার সময় আলাদা।
  3. সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করুন, বিশেষ করে পিরিয়ড মিস হওয়ার প্রথম দিনগুলোতে; আর ঠিক আগে বেশি পানি খাবেন না।
  4. পরিষ্কার, শুকনো একটা কাপে প্রস্রাব নিন, অথবা স্টিকটা প্রস্রাবের ধারায় ধরুন, ঠিক যতক্ষণ নির্দেশনায় বলা আছে।
  5. কিটটা সমান জায়গায় রেখে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করুন। কন্ট্রোল লাইন দেখা গেলে বুঝবেন টেস্ট ঠিকমতো কাজ করেছে।
  6. নির্দিষ্ট সময়েই ফল দেখুন। কয়েক ঘণ্টা পরে যে দাগ আসে, সেটা ধরবেন না।
  7. তারিখ আর ফল লিখে রাখুন, ডাক্তারকে বলার জন্য।

প্রেগন্যান্সি টেস্টে হালকা দাগ: এর মানে কী?

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় দাগ এলে, যত হালকাই হোক, সাধারণত বোঝায় টেস্টে গর্ভাবস্থার হরমোন ধরা পড়েছে। প্রায়ই দাগ হালকা হয় কারণ সময়টা খুব শুরুর, আর হরমোন তখনো কম। কয়েক দিন পর সকালের প্রস্রাব দিয়ে আবার টেস্ট করুন; দাগটা প্রায়ই আরও স্পষ্ট দেখায়।

রঙহীন হালকা যে দাগ শুধু নির্দিষ্ট সময়ের পরে আসে, সেটা আলাদা: কিট শুকিয়ে গেলে এমন দাগ পড়তে পারে, আর সেটা ধরা হয় না। নিশ্চিত না হলে পুরোনো কিটের দিকে তাকিয়ে না থেকে আবার টেস্ট করুন। যেভাবেই হোক, পজিটিভ মানে প্রথম চেকআপের সময় নেওয়া; আর যোনিপথে অল্প রক্ত বা দাগ দেখা গেলেও এখনই হাসপাতালে যাওয়া।

টেস্ট নেগেটিভ, কিন্তু পিরিয়ড হচ্ছে না: এরপর কী?

পিরিয়ড দেরি হচ্ছে অথচ টেস্ট নেগেটিভ, এমনটা বেশ সাধারণ, আর এর পেছনে সাধারণত দুটির একটি কারণ থাকে: টেস্ট খুব আগে করা হয়েছে, অথবা অন্য কোনো কারণে পিরিয়ড দেরি হচ্ছে।

  • খুব আগে টেস্ট করলে, বা দিনের পরের দিকে পাতলা প্রস্রাব দিয়ে করলে, গর্ভবতী হলেও নেগেটিভ আসতে পারে। এক সপ্তাহ পর সকালের প্রস্রাব দিয়ে আবার করুন।
  • মানসিক চাপ, অসুখ, ভ্রমণ, ওজন বা ব্যায়ামে বড় পরিবর্তন, বুকের দুধ খাওয়ানো, বা হরমোন বা থাইরয়েডের সমস্যায় পিরিয়ড দেরি হতে পারে।
  • এক সপ্তাহ পরের দ্বিতীয় টেস্টও নেগেটিভ এলে আর তখনো পিরিয়ড না এলে ডাক্তার দেখান। তিনি কারণ খুঁজে দেখতে পারেন, আর রক্ত বা প্রস্রাবের পরীক্ষা করাতে পারেন।
  • যেকোনো সময় পেটব্যথা বা রক্ত গেলে আরেকটা টেস্টের জন্য অপেক্ষা করবেন না: ওপরের জরুরি লক্ষণগুলো দেখুন।

টেস্ট পজিটিভ? প্রথমে যা করবেন

  1. আমাদের প্রেগন্যান্সি ক্যালকুলেটর দিয়ে ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ আর আপনি কত সপ্তাহের গর্ভবতী তা বের করুন।
  2. প্রথম চেকআপের সময় নিন। বাংলাদেশে অন্তত ৪ বার চেকআপের পরামর্শ দেওয়া হয়, মোটামুটি ১৬, ২৪–২৮, ৩২ আর ৩৬ সপ্তাহে, আর অনেক ডাক্তার ৮ বার দেখাতে বলেন। আপনার সময়সূচি ঠিক করবেন আপনার ডাক্তার; দেখুন গর্ভকালীন চেকআপ।
  3. কোনো ওষুধ বা টোটকা খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, আর চেকআপে জিজ্ঞেস করুন বাংলাদেশে গর্ভবতী মায়েদের যে ট্যাবলেটগুলো দেওয়া হয় সেগুলোর কথা।
  4. সামনের সপ্তাহগুলোতে সাধারণত কী হয়, তা জানতে পড়ুন গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস।
  5. বিপদ চিহ্নগুলো জেনে নিন, আর ৯৯৯ ও কাছের হাসপাতালের নম্বর দুজনের মোবাইলেই সেভ করে রাখুন।

বাংলাদেশি পরিবারে প্রেগন্যান্সি টেস্ট: গোপনীয়তা আর চাপ

বাংলাদেশে অনেক নারীর কাছে প্রেগন্যান্সি টেস্টের সবচেয়ে কঠিন অংশটা টেস্ট নিজে নয়। কঠিন হলো পাড়ার যে ফার্মেসিতে সবাই চেনে সেখান থেকে কিট কেনা, ভাগাভাগির বাথরুমে একটু আড়াল পাওয়া, আর পরে আসা প্রশ্নগুলো।

  • স্বামী অফিস থেকে ফেরার পথে যেকোনো ফার্মেসি থেকে কিট কিনে আনতে পারেন। এটা খুবই সাধারণ কেনাকাটা; ফার্মেসিতে প্রতিদিনই বিক্রি হয়।
  • বাসা ব্যস্ত হওয়ার আগে, সকালে উঠেই টেস্ট করুন, আর কাকে জানাবেন তা ঠিক না করা পর্যন্ত ফলটা দুজনের মধ্যেই রাখুন।
  • শাশুড়ি প্রতি মাসে জিজ্ঞেস করলে ছোট্ট একটা নরম কথাই যথেষ্ট, আর স্বামী নিজের পরিবারকে একটু সময় দিতে অনুরোধ করতে পারেন।
  • মাসের পর মাস নেগেটিভ ফল কষ্ট দিতে পারে, আর এতে কারও দোষ নেই। ১ বছর চেষ্টা করেও না হলে, বা ৩৫ বা বেশি বয়সে ৬ মাস পর, দুজনে একসাথে ডাক্তার দেখান।

যা বলতে পারেন

  • স্বামীকে: "আমার পিরিয়ড দেরি হচ্ছে। ফেরার পথে একটা প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট আনবে? আপাতত কথাটা আমাদের দুজনের মধ্যেই থাক।"
  • ফার্মেসিতে: "একটা প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট দিন। মেয়াদটা একটু দেখাবেন?"
  • নেগেটিভ এলে একে অপরকে: "ঠিক আছে, সমস্যা নেই। পরের সপ্তাহে আবার একসাথে দেখব।"
  • শাশুড়িকে: "আম্মা, জানানোর মতো খবর হলে আপনিই সবার আগে জানবেন।"
  • স্বামী স্ত্রীকে: "চলো, এই সপ্তাহেই ডাক্তারের সময় নিই। আমি সাথে যাব।"

পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট: অপেক্ষার ৭ দিন

  1. দিন ১: শেষ পিরিয়ড শুরুর তারিখ আর পরেরটা কবে আসার কথা, লিখে রাখুন।
  2. দিন ২: একটা কিট কিনুন, মেয়াদ দেখে নিন, আর নির্দেশনার কাগজটা আগেই পড়ে রাখুন।
  3. দিন ৩: কবে টেস্ট করবেন, আর কাউকে জানাবেন কি না, জানালে কাকে, দুজনে মিলে ঠিক করুন।
  4. দিন ৪: ফল না জানা পর্যন্ত কোনো ওষুধ বা টোটকা খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, আর ধোঁয়া ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।
  5. দিন ৫: পিরিয়ড এখন দেরি হলে সকালের প্রস্রাব দিয়ে টেস্ট করুন আর ফল লিখে রাখুন।
  6. দিন ৬: পজিটিভ হলে ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ বের করুন আর চেকআপের সময় নিন; নেগেটিভ এলে আর পিরিয়ড না এলে এক সপ্তাহ পর আবার টেস্টের জন্য রিমাইন্ডার দিন।
  7. দিন ৭: সপ্তাহটা দুজনে মিলে ফিরে দেখুন: দুজনের কেমন লাগল, আর এরপর কী করবেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন, বা হাসপাতালে যাবেন

টেস্ট শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর দেয়; ডাক্তারের জায়গা নেয় না। টেস্টের ফল যা-ই হোক, এসব লক্ষণে সাহায্য নিন। পুরো তালিকা আছে গর্ভাবস্থায় বিপদ চিহ্ন লেখায়।

এসব হলে ডাক্তার দেখান, হাসপাতালে যান বা ৯৯৯-এ কল করুন

  • যোনিপথে অনেক রক্ত যাওয়া, অথবা রক্তের সাথে ব্যথা, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান ভাব: ৯৯৯-এ কল করুন আর এখনই হাসপাতালে যান।
  • তীব্র বা না-কমা পেটব্যথা; প্রথম দিকে পেটের এক পাশে ব্যথা বা কাঁধের ডগায় ব্যথা: এখনই হাসপাতালে যান; অজ্ঞান হয়ে গেলে ৯৯৯-এ কল করুন।
  • শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: ৯৯৯-এ কল করুন।
  • পজিটিভ টেস্টের পর অল্প রক্ত বা দাগ দেখা গেলেও: এখনই হাসপাতালে যান।
  • এক সপ্তাহ পরের দ্বিতীয় টেস্টও নেগেটিভ, আর পিরিয়ডও আসেনি: কারণ জানতে ডাক্তার দেখান।
  • নিজের ক্ষতি করার বা বেঁচে থাকতে না চাওয়ার চিন্তা: কাছের কাউকে জানান; এখনই বিপদ থাকলে ৯৯৯-এ কল করুন, না হলে সেদিনই ডাক্তার দেখান।

তারিখগুলো লেখা থাকলে পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন, তা ঠিক করা সহজ হয়। ParentMind সন্তান আসার পরের বছরগুলোর জন্য: প্রতিদিন কী হলো তা নোট করতে, বারবার যা হচ্ছে তা দেখতে আর গাইড পেতে সাহায্য করে। দেখুন ParentMind কীভাবে কাজ করে।

বাবা-মায়েরা যা জানতে চান

সহবাসের কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা যায়?

পিরিয়ড কবে আসার কথা জানা থাকলে, মিস হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। জানা না থাকলে, সাধারণ পরামর্শ হলো যে সহবাস নিয়ে ভাবছেন তার মোটামুটি তিন সপ্তাহ পর টেস্ট করা, কারণ গর্ভধারণ হতে আর হরমোন জমতে সময় লাগে। সহবাসের কয়েক দিন পর টেস্ট করলে সেই সময়ের গর্ভাবস্থা ধরা পড়ে না।

পিরিয়ড মিস হওয়ার কত দিন পর টেস্ট করলে সঠিক ফল আসে?

পিরিয়ড মিস হওয়ার দিন থেকেই বাড়িতে টেস্ট করলে সঠিক ফল আসতে পারে, আর এক সপ্তাহ পরে করলে আরও নির্ভরযোগ্য। প্রথমবার নেগেটিভ এলে আর পিরিয়ড তখনো না এলে এক সপ্তাহ পর আবার করুন। ঠিক সময়ে ফল দেখলে পজিটিভ ফল খুব কমই ভুল হয়।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কি সকালে করাই ভালো?

হ্যাঁ, বিশেষ করে পিরিয়ড মিস হওয়ার প্রথম দিনগুলোতে। সকালের প্রথম প্রস্রাব সবচেয়ে ঘন, তাই হরমোন সহজে ধরা পড়ে। পিরিয়ড মিসের এক সপ্তাহ বা বেশি পরে দিনের যেকোনো সময় সাধারণত চলে, তবে টেস্টের ঠিক আগে বেশি পানি খাবেন না, কারণ এতে প্রস্রাব পাতলা হয়ে যায়।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কি ভুল হতে পারে?

হ্যাঁ, বেশিরভাগ সময় এক দিকে। ভুল নেগেটিভ বেশ সাধারণ, সাধারণত খুব আগে টেস্ট করলে বা পাতলা প্রস্রাব দিয়ে করলে হয়। ভুল পজিটিভ খুব কম; নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে ফল দেখাই বিভ্রান্তির সাধারণ কারণ। নিশ্চিত না হলে কয়েক দিন পর আবার টেস্ট করুন, আর প্রথম চেকআপে ডাক্তারকে দিয়ে নিশ্চিত করে নিন।

গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হতে কি রক্ত পরীক্ষা লাগে?

সাধারণত না। পিরিয়ড মিস হওয়ার পর বাড়িতে করা প্রস্রাবের টেস্ট নির্ভরযোগ্য, আর প্রথম চেকআপে ডাক্তার হয়তো আবার প্রস্রাব পরীক্ষা করাবেন। রক্ত পরীক্ষায় একটু আগেই গর্ভাবস্থা ধরা পড়তে পারে, আর বিষয়টা পরিষ্কার না হলে কখনো এটা করা হয়; দরকার হলে ডাক্তারই বলবেন।

টেস্ট পজিটিভ কিন্তু রক্ত যাচ্ছে, কী করব?

কমে কি না দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন না। যোনিপথে অনেক রক্ত যাওয়া, অথবা রক্তের সাথে ব্যথা, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান ভাব: ৯৯৯-এ কল করুন আর এখনই হাসপাতালে যান। অল্প রক্ত বা দাগ দেখা গেলেও: এখনই হাসপাতালে যান। ডাক্তারকে শেষ পিরিয়ডের তারিখ আর কবে থেকে রক্ত যাচ্ছে তা জানান।

এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

নিজের সন্তানের সাথে চেষ্টা করে দেখুন

ParentMind প্রতিদিনের একটি ছোট নোট রাখে আর দেখায় — আপনার সন্তানের নিজের সংখ্যায় — একটি পরিবর্তন কাজে লাগছে কি না।

বিনামূল্যে নাম লিখুন। ক্রেডিট কার্ড লাগবে না। আপনার তথ্য গোপন থাকবে।