লেখাটি শুনুন
১ মিনিট শোনার · আপনার ডিভাইসের কণ্ঠে পড়া
এক নজরে
- কাদের জন্য
- ৮–১৫ বছর বয়সী সন্তানের বাবা-মা
- মূল কথা
- “স্কুল কেমন গেল?”-এর বদলে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন করুন।
- মুখোমুখির চেয়ে পাশাপাশি প্রায়ই ভালো কাজ করে।
- সমাধান না দিয়ে শুনলে সে কথা বলতে থাকে।
অনেক শিশু, বিশেষ করে বড় হতে হতে, বড় প্রশ্নের উত্তর দেয় ছোট শব্দে। তার মানে সবসময় যে কিছু খারাপ হয়েছে তা নয় — ছয় ঘণ্টা স্কুলের পরে “দিন কেমন গেল?”-এর উত্তর দেওয়াই কঠিন।
যে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ
- আজ কী নিয়ে হেসেছ?
- টিফিনে কার সাথে বসেছিলে?
- সবচেয়ে বিরক্তিকর অংশ কোনটা ছিল?
- কাল কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করছ?
পাশাপাশি
অনেক শিশু সরাসরি তাকিয়ে না থাকলে সহজে কথা বলে: গাড়ি বা রিকশায়, একসাথে রান্না করতে করতে, দোকানে হেঁটে যেতে যেতে। ঘুমের আগের নিস্তব্ধ সময়টাও এমন একটা মুহূর্ত, যখন দুশ্চিন্তার কথা উঠে আসে।
আগে শুনুন; সমাধান অপেক্ষা করতে পারে।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; কেউ বিপদে থাকলে স্থানীয় জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করুন।



